করোনা ভাইরাস সম্পর্কে তথ্য

করোনা ভাইরাস সম্পর্কে তথ্য

করোনা ভাইরাস সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নিচে নিচে আলোচনা করা হয়েছে।

করোনা ভাইরাস এর উৎপত্তি

করোনা ভাইরাসের উৎপত্তি প্রাণীদেহ থেকে হয়েছে বলে ধারণা করা হয়ে থাকে। অধিকাংশ বিশেষজ্ঞ এটিই সঠিক তথ্য বলে মনে করেন। সর্বপ্রথম চিনের উহান শহরে করোনা ভাইরাসের আক্রান্ত রোগি সনাক্ত করা হয় ২০১৯ সালে। মূলত উহানের একটি বাজার থেকে সেই ব্যাক্তি আক্রান্ত হয়েছিলেন। সেই বাজারে মুরগি, বাদুড়, খরগোশ এবং সাপ বিক্রি করা হতো। এছাড়াও অবৈধভাবে সেই বাজারে তিমি মাছ বিক্রি করা হতো। কারো কারো মতে সেখানে কিছু কোরোনা ভাইরাসে আক্রান্ত তিমি আনা হয়েছিল এবং আক্রান্ত মাছের সংস্পর্ষে যারা এসেছিলেন তাড়াই প্রথম দিকের করোনা আক্রান্ত মানুষ ছিলেন। এরপর তা খুব দ্রুত ছোয়াচে রোগ হিসেবে এক ব্যাক্তি থেকে অন্য ব্যাক্তির শরীরে প্রবেশ করার ফলে খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। এভাবে পরবর্তী ১ বছরের মধ্যে পুরো পৃথিবীতে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে।

করোনা ভাইরাস সম্পর্কে তথ্য

করোনা ভাইরাস সম্পর্কে ১৮টি তথ্য:

  1. করোনা ভাইরাস একটি ছোয়াচে বা সংক্রামক ভাইরাস।
  2. এর প্রতিকী নাম কোভিড-১৯।
  3. এর আরেক নাম নভেল করোনাভাইরাস।
  4. ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা রোগটির আনুষ্ঠানিক নাম দেয় কোভিড-১৯।
  5. এটি সরাসরি ফুসফুসে আক্রমণ করে।
  6. এই ভাইরাস মানুষের ফুসফুসের মারাত্মক রোগ সৃষ্টি কর থাকে।
  7. এটি চীন থেকে ছড়িয়ে পড়েছে।
  8. এই ভাইরাসে বিশ্বব্যাপী প্রাণহানির সংখ্যা প্রায় ১.৫ কোটি (WHO এর মতে)।
  9. করোনাভাইরাসের অনেক রকম প্রজাতি আছে।
  10. এর মধ্যে মাত্র সাতটি প্রজাতি মানুষের দেহে সংক্রমিত হতে সক্ষম।
  11. জ্বর, কাশি, শ্বাস প্রশ্বাসের সমস্যাই মূলত করোনার প্রাধান লক্ষণ।
  12. এটি ফুসফুসে আক্রমণ করে।
  13. সাধারণত শুষ্ক কাশি ও জ্বরের মাধ্যমেই শুরু হয় উপসর্গ।
  14. সাধারণত রোগের উপসর্গগুলো প্রকাশ পেতে গড়ে পাঁচ দিন সময় লাগে।
  15. ভাইরাসটির ইনকিউবেশন পিরিয়ড ১৪দিন (WHO এর মতে)।
  16. কিছু কিছু গবেষকের মতে এর স্থায়িত্ব ২৪ দিন পর্যন্ত থাকতে পারে।
  17. নিজেরা অসুস্থ না থাকার সময়ও সুস্থ মানুষের দেহে ভাইরাস সংক্রমিত করতে পারে মানুষ।
  18. শুরুর দিকের উপসর্গ সাধারণ সর্দিজ্বর এবং ফ্লু'য়ের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ হওয়ায় উপসর্গ দেখে রোগ নির্ণয় সম্ভব হয়না।

করোনা ভাইরাসের চিকিৎসা সংক্রান্ত তথ্য

করনা ভাইরাসের চিকিৎসার জন্য সরাসরি কোনো ঔষধ এখন পর্যন্ত আবিষ্কার হয়নি। তবে বিভিন্ন দেশ করনা ভাইরাস প্রতিরোগে কার্যকর ভ্যাকসিক আবিষ্কার করতে সক্ষম হয়েছে। ভ্যাকসিন আবিষ্কারে উল্লেখযোগ্য সফলতা অর্জন করেছে যুক্তরাষ্ট, যুক্তরাজ্য, চীনসহ আরো কয়েকটি দেশ। বাংলাদেশ ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলংকাসহ এশিয়ার যুক্তরাষ্ট থেকে আমদানীকৃত ভ্যাকসিন প্রয়োগ করেছে।

Next Post


Powered by Blogger.